আজ ২ মার্চ। ঐতিহাসিক পতাকা উত্তোলন দিবস। ১৯৭১ সালের এই দিনে পতাকা
উত্তোলনের মধ্য দিয়ে স্বাধীনতা অর্জনের পথে যাত্রা শুরু হয়েছিল বাঙালি
জাতির। ১৯৭১ সালের এই দিনে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের বটতলায় লাখ লাখ
ছাত্র-জনতার সামনে বাংলাদেশের মানচিত্রখচিত প্রথম স্বাধীনতার পতাকা উত্তোলন
করা হয়।
১৯৭১ সালে বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধের সময় প্রায় একই রকম দেখতে একটি পতাকা ব্যবহার করা হতো, যেখানে মাঝের লাল বৃত্তের ভেতর হলুদ রংয়ের একটি মানচিত্র ছিল। ১২ জানুয়ারি, ১৯৭২ তারিখে বাংলাদেশের পতাকা থেকে মানচিত্রটি সরিয়ে ফেলা হয়।
১৯৭১ সালে বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধের সময় প্রায় একই রকম দেখতে একটি পতাকা ব্যবহার করা হতো, যেখানে মাঝের লাল বৃত্তের ভেতর হলুদ রংয়ের একটি মানচিত্র ছিল। ১২ জানুয়ারি, ১৯৭২ তারিখে বাংলাদেশের পতাকা থেকে মানচিত্রটি সরিয়ে ফেলা হয়।
বাংলাদেশের জাতীয় পতাকার প্রথম ডিজাইনার ছিলেন শিবনারায়ণ দাশ।
বাংলাদেশের অধিকাংশ মানুষের কাছে অজানা একটি নাম, অপরিচিত মানুষ। খুব কম
সংখ্যক লোকই এ নামের সঙ্গে পরিচিত।
সবুজ আয়তক্ষেত্রের মধ্যে লাল বৃত্ত। সবুজ রং বাংলাদেশের সবুজ প্রকৃতি ও তারুণ্যের প্রতীক, বৃত্তের লাল রং উদীয়মান সূর্য, স্বাধীনতা যুদ্ধে আত্মোৎসর্গকারীদের রক্তের প্রতীক। বাংলাদেশের জাতীয় পতাকার এই রূপটি ১৯৭২ সালের ১৭ জানুয়ারি সরকারীভাবে গৃহীত হয়।
২ মার্চের পর সারা দেশে জাতীয় পতাকা উড়লেও ২৩ মার্চ বঙ্গবন্ধুর বাড়িতে উত্তোলনের মধ্য দিয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে বাংলাদেশের পতাকা ব্যবহার শুরু হয়।
সবুজ আয়তক্ষেত্রের মধ্যে লাল বৃত্ত। সবুজ রং বাংলাদেশের সবুজ প্রকৃতি ও তারুণ্যের প্রতীক, বৃত্তের লাল রং উদীয়মান সূর্য, স্বাধীনতা যুদ্ধে আত্মোৎসর্গকারীদের রক্তের প্রতীক। বাংলাদেশের জাতীয় পতাকার এই রূপটি ১৯৭২ সালের ১৭ জানুয়ারি সরকারীভাবে গৃহীত হয়।
২ মার্চের পর সারা দেশে জাতীয় পতাকা উড়লেও ২৩ মার্চ বঙ্গবন্ধুর বাড়িতে উত্তোলনের মধ্য দিয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে বাংলাদেশের পতাকা ব্যবহার শুরু হয়।


No comments:
Post a Comment